How will children get nutrition through food? | শিশুরা কীভাবে খাবারের মাধ্যমে পুষ্টি পাবে?

    শিশুর খাবার ও তার পুষ্টি নিয়ে অনেক মায়েরাই চিন্তিত। তাই শিশুর খাবার কেমন হবে সে সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা মা-বাবার থাকা দরকার।স্বাভাবিকভাবে শিশুকে বড়ো করে তোলার জন্য সব সময় প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার। বাড়ন্ত বাচ্চাদের অবশ্যই একটা খাবার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। শিশুরা একসঙ্গে কখনো বেশি খেতে চায় না। সেজন্য তাদের বারেবারে খাবার দেওয়া উচিত। তবে যেহেতু শিশুরা বড়োদের থেকে দেখে দেখে শেখে তাই বাড়িতে বড়োদের-ও এই অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। আর সবসময় লক্ষ্য করা দরকার যে খাবারই দেওয়া হোক না কেন তা শিশু ঠিক মতো হজম করতে পারছে কিনা। 

    শিশুর বয়স, তার ওজন, শরীর-স্বাস্থ্য ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে তার প্রতিদিনের খাবারের পরিমাণ। সাধারণত পাঁচ রকমের খাবারের উপকরণ প্রতিদিনের খাবার তালিকায় থাকলে শিশুর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, খনিজ লবণ ও জলের চাহিদা মেটানো সম্ভব। 

এই পাঁচ রকমের খাবারের উপকরণ হলো:-  

  • ১) দুধ,
  • ২) ভাত বা রুটি,
  • ৩) মাছ, মাংস, ডিম বা ডাল,
  • ৪) বিভিন্ন রকমের শাকসবজি ও ফলমূল,
  • ৫) পরিমাণ মতো জল।

    সাধারণত শিশুর বয়স অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাবারে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।  ১ বছর বয়স ১২ বয়স পর্যন্ত বয়সের  শিশুদের  তিনটি ভাগে  (age group) ভাগ করা যায়। 

প্রথম ভাগে:- ১ থেকে ৩ বছর বয়স পর্যন্ত,

দ্বিতীয় ভাগ:- ৪ থেকে ৬ বছর বয়স পর্যন্ত 

তৃতীয় ভাগ :- ৬ থেকে ১২ বছর বয়স পর্যন্ত।

প্রথম ভাগে অর্থাৎ ১ থেকে ৩ তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের প্রতিদিন প্রায় ১২০০ ক্যালোরি প্রয়োজন হয়, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে  থেকে ৪ বছর বয়স থেকে ৬ পর্যন্ত শিশুদের প্রয়োজন প্রায় ১৬০০ ক্যালোরি  এবং ৭ থেকে ১২ বছরের শিশুদের প্রতিদিন প্রায়  ২০০০ ক্যালোরি প্রয়োজন। 

    শিশুদের সবসময় টাটকা খাবার খাওয়ানো উচিত। প্রতিটি শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা মা-বাবা বা অভিভাবকের দায়িত্ব। 

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.